CTET Paper-II Bengali January 2024 এর প্রশ্নগুলির উত্তর করে দেওয়া আছে। Central Teacher Eligibility Test এর প্রশ্নগুলি কেমন ধরণের হতে পারে, সে ধারণা পেতে সালের প্রশ্নগুলির অনুশীলন করা জরুরী।
CTET এ যে দুটি Language রাখতে হয়, তার মধ্যে একটি বাংলা রাখতে পারেন। এ বিষয়ে খুব সহজেই score করতে পারবেন। বাংলাকে যদি Language I নির্বাচন করেন, তাহলে 91 থেকে 120 পর্যন্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে হবে। আর আপনি যদি Language II নির্বাচন করেন তবে 121 থেকে 150 পর্যন্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে হবে। এখানে LANGUAGE–I এ গদ্য থেকে 9 এবং পদ্য থেকে 6 মোট 15 নম্বর এবং LANGUAGE–II এ দুটি গদ্যাংশ থেকে 8+7 মোট 15 নম্বর। অর্থাৎ LANGUAGE–I এবং LANGUAGE–II মিলিয়ে সর্বমোট 30 নম্বরের প্রশ্নোত্তর আলোচিত হয়েছে।
PART- IV, LANGUAGE–I, BENGALI
যে-সব পরীক্ষার্থী বাংলা কে ভাষা- I হিসাবে নির্বাচিত করেছেন, তারা অবশ্যই ভাগ-IV (91 থেকে 120 নং প্রশ্ন)-এর উত্তর দেবেন।
নির্দেশ:– নিম্নে প্রদত্ত গদ্যাংশটি পড়ুন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলির (91 থেকে 99 নং প্রশ্ন) নিকটতম উত্তর নির্বাচন করুন।
অমিয়মাধবের মৃত্যুতে সমস্ত এলাহাবাদ শহরে একটা হৈচৈ পড়ে গেল। আর পড়াই তো স্বাভাবিক। এ তো সাধারণ মৃত্যু নয়-একেবারে, যাকে বলে, ইচ্ছামৃত্যু। সাধকদের ঈপ্সিত এ মৃত্যু কিন্তু ক’জন সাধকই বা এমন মৃত্যু পান? কলিযুগে কেন সেই ত্রেতা-দ্বাপরের পৌরাণিক কাহিনীর মধ্যেই বা কটা এমন মৃত্যুর কথা পাওয়া যায়? অমিয়মাধব পার্থিব দিক থেকে অতি সাধারণ ধরনের মানুষ ছিলেন বলেই তাই তাঁর ছেলেমেয়েদেরও খুব একটা পাব্লিসিটি বা প্রচারের লোভ ছিল না বলেও নইলে এলাহাবাদ কেন, সারা ভারতেই তো হৈচৈ পড়ে যাওয়ার কথা।
অমিয়মাধব রায় ছিলেন কনট্র্যাক্টর। কিছুদিন রূঢ়কীতে ইঞ্জিনীয়ারিংও পড়েছিলেন। পড়তে পড়তেই তাঁর বিবাহ হয়। বিবাহের সময় যে নগদ পাঁচ হাজার টাকা যৌতুক পাওয়া গিয়েছিল সেটা তাঁর বাবা বিবাহে খরচ করেন নি পুরোপুরিই ছেলের হাতে দিয়েছিলেন ভবিষ্যতের সম্বল বলে। অমিয়মাধবের পড়াশুনো আর বেশীদূর এগোয়নি, তার কারণ অবশ্যই নবোঢ়া পত্নীপ্রীতি নয় প্রধান কারণ বাবার অকালমৃত্যু। সংসারের ভার ঘাড়ে এসে পড়েছিল। বাবা যা রেখে গিয়েছিলেন তাতে যে আর বছর দুই পড়ে পাস করা চলত না তা নয় সেকালে রূঢ়কী থেকে পাস করলে সরকারী চাকরিরও অভাব হত না কিন্তু অতদিন অপেক্ষা করে অত কম আয়ের কথাটা ভাল লাগেনি অমিয়মাধবের। তিনি পৈতৃক অর্থ সংসারের জন্য রেখে যৌতুকের টাকাটা নিয়েই ব্যবসায়ে নেমে পড়েছিলেন এবং তারপর থেকে ক্রমাগত পরিশ্রম করে ত্রিশ বৎসরে ঠিক পাঁচশ গুণ মুনাফা আদায় করেছিলেন।
টাকা রোজগার করতে নেমেছিলেন কতকটা প্রয়োজনে কতকটা কৃতিত্ব প্রমাণ করতে, টাকার নেশা তাঁকে পেয়ে বসে নি। কোথায় কখন থামতে হয় তা তিনি জানতেন। ঠিক পঞ্চান্ন বছর বয়সে থামলেন তিনি। বললেন, ‘আর না। এবার যা করেছি তা ভোগ করব। এর চেয়ে বেশী দেরি করলে সে সময়টুকু বয়ে যাবে।’
এর মধ্যে তাঁর ছেলেরা মানুষ হয়ে গিয়েছিল। যার যা ইচ্ছা তাকে সেই পথেই যেতে দিয়েছিলেন অমিয়মাধব। বড়ছেলে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, মেজছেলে উকীল, সেজছেলে ব্যবসাদার, ছোটটি সদ্য সরকারী চাকরিতে ঢুকেছে। মেয়ে একটি, তার বিয়ে হয়েছে এক ডাক্তারের সঙ্গে। মিলিটারী ডাক্তার কিন্তু অবস্থা ভাল। সবাই সুখী। তাদের কথা ভাববার কোন দরকার ছিল না তাঁর।
তবে কোথায় তাঁর শেষ আড্ডা গাড়বেন সেটা ভাবার প্রয়োজন ছিল। তাঁর জীবনের বেশীর ভাগই কেটেছে মধ্যভারতে। জব্বলপুর, ঝাঁসি, নাগপুর এর মধ্যেই তাঁর কাজকর্ম হয়েছে বেশীর ভাগ। ছেলেরাও ছড়িয়ে আছে এই দিকে ঝাঁসি, সাতনা, নাগপুর। মেয়ে থাকে পুনায়। সুতরাং অনেক ভেবে তিনি এলাহাবাদেই বাড়ি তৈরি করিয়েছিলেন। জব্বলপুরে করবার জন্যেই সকলে বলেছিল কিন্তু তিনি রাজী হন নি, বলেছিলেন, ‘না-চিরকালের কর্মক্ষেত্রে থাকলে বিশ্রাম হবে না। তাছাড়া অগঙ্গার দেশে মরতে চাই না। গঙ্গার কাছে থাকব।’
সে বহুদিনের কথা। এলাহাবাদে বসে একে একে যেমন নিজের ব্যবসা গুটিয়ে এনেছেন তেমনি একখানির পর একখানি বাড়ি কিনেছেন। দেহাতে চাষের জমিও করেছেন কিছু- কিন্তু সে কম। ঠিক নিজেদের প্রয়োজনমত। বলেছেন, ‘আমি মলে ছেলেরা এসব কিছুই উদ্ধার করতে পারবে না, বাড়িগুলো থাকলে ভাড়া দিয়ে না পারুক, বেচে খেতেও পারবে।’
অমিয়মাধব চিরদিনই একরোখা তেজী মানুষ। ধর্মভীরু বলতে যা বোঝায় তেমন মিনমিনে স্বভাবের নয়। ধর্মের ধারণাটা ছিল আলাদা। বলতেন, ‘মিথ্যে কথা বলেছি বৈকি! ঢের, ঝুড়ি ঝুড়ি বলেছি। ব্যবসা করব আর মিথ্যে কথা বলব না তা কখনও হয়। তবে তাতে দোষ নেই। বিনা কারণে একটিও মিথ্যে কথা বলি নি, এটা গর্ব করে বলতে পারি। যেটা আপনাদের মধ্যে অনেকেই বুকে হাত দিয়ে হলফ করে বলতে পারবেন না। অনেকেই অকারণে মিছে কথা বলেন তা আমি জানি।’
দানধ্যান ছিল, পরিমিত ও নিয়মিত। পূজাপার্বণ স্ত্রী বা বৌমারা যা করতেন, তাতে কখনও বাধা দেন নি, নিজের খুব উৎসাহও ছিল না। স্ত্রী উপবাস করতে বললে করতেন। বলতেন, ‘সহধর্মিণী তার ধর্মবিশ্বাসে আঘাত দেব কেন?’ নিজে দীক্ষা নেন নি, স্ত্রীকে অনুমতি দিয়েছিলেন দীক্ষা নিতে। নিজে শুধু ত্রি-সন্ধ্যা গায়ত্রী করতেন, পর্বদিনে গঙ্গাস্নান করতেন আর ভোরবেলা বিছানায় বসে কী জানি কি নাম বা মন্ত্র জপ করতেন। পরলোকের কাজ বলতে ঐটুকু।
MCQ প্রশ্নোত্তর
CTET Paper-II Bengali January 2024 MCQ প্রশ্ন ও উত্তর গুলি নিচে দেওয়া হল। প্রশ্নের উত্তরগুলি সরাসরি না দিয়ে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে উত্তরটি লুক্কায়িত আছে। পরীক্ষার্থীদের চেষ্টা করার সুযোগ আছে। উত্তরে Click👈 করলেই উত্তরটি দেখা যাবে।
1. “পর্বদিনে গঙ্গাস্নান করতেন আর ভোরবেলায় বিছানায় বসে কী জানি কী নাম বা মন্ত্র জপ করতেন” বাক্যটির সাধুভাষার সঠিক রূপ কোনটি?
(A) পর্বদিনে গঙ্গাস্নান করিতেন আর ভোরবেলায় বিছানায় বসে কী জানি কী নাম বা মন্ত্র জপ করিতেন।
(B) পর্বদিনে গঙ্গাস্নান করিতেন আর ভোরবেলায় বিছানায় বসিয়া কী জানি কী নাম বা মন্ত্র জপ করিতেন।
(C) পর্বদিনে গঙ্গাস্নান করতেন আর ভোরবেলায় বিছানায় বসিয়া কী জানি কী নাম বা মন্ত্র জপ করিতেন।
(D) পর্বদিনে গঙ্গাস্নান করিতেন আর ভোরবেলায় বিছানায় বসিয়া কী জানি কী নাম বা মন্ত্র জপ করতেন।
উত্তর👈
(B) পর্বদিনে গঙ্গাস্নান করিতেন আর ভোরবেলায় বিছানায় বসিয়া কী জানি কী নাম বা মন্ত্র জপ করিতেন।
2. নিম্নে প্রদত্ত কোন বিশেষণটি অমিয়মাধবের চরিত্র বর্ণনায় প্রযোজ্য নয়?
(A) ধর্মভীরু
(B) একরোখা
(C) উদার মনোভাবাপন্ন
(D) ব্যবসায়িক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন
উত্তর👈
(A) ধর্মভীরু
3. কোন্ বিবৃতিটি সঠিক?
(A) পৈতৃক অর্থ দিয়ে ব্যবসা করে অমিয়মাধব মুনাফা করতে পারেন নি।
(B) অমিয়মাধব মৃত্যুর দিন পর্যন্ত ব্যবসা চালিয়ে যেতে লাগলেন।
(C) পেশা নির্বাচনে ছেলেদের উপর কখনও নিজের মতামত চাপিয়ে দেন নি।
(D) তিনি ব্যবসার শ্রীবৃদ্ধির আশায় এলাহাবাদে বসবাস শুরু করলেন।
উত্তর👈
(C) পেশা নির্বাচনে ছেলেদের উপর কখনও নিজের মতামত চাপিয়ে দেন নি।
4. ‘পরিমিত’ এর বিশেষ্য রূপ কোনটি?
(A) পরিমার্জিত
(B) পরিমেয়
(C) পরিমিতি
(D) পরিমাপ
উত্তর👈
(C) পরিমিতি
5. “যার যা ইচ্ছা তাকে সেই পথেই যেতে দিয়েছিলেন অমিয়মাধব” কোন শ্রেণীর বাক্য?
(A) জটিল
(B) সরল
(C) মিশ্র
(D) যৌগিক
উত্তর👈
(A) জটিল
6. নিম্নে প্রদত্ত বিবৃতিগুলি ঘটনাক্রম অনুযায়ী সাজালে সঠিক ক্রমটি হবে:-
(ক) অমিয়মাধব এলাহাবাদে বসে সমস্ত ব্যবসা গুটিয়ে নিলেন।
(খ) অমিয়মাধব মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন শহরে তাঁর ব্যবসা চালাতে লাগলেন।
(গ) অমিয়মাধব রূঢ়কীতে ইঞ্জিনীয়ারিং পড়তেন।
(ঘ) যৌতুকে পাওয়া টাকা দিয়ে ব্যবসা শুরু করলেন।
সঠিক উত্তর নির্বাচন কর:-
- (A) (খ)➡️(গ)➡️(ক)➡️(ঘ)
- (B) (গ)➡️(ঘ)➡️(খ)➡️(ক)
- (C) (ক)➡️(গ)➡️(খ) ➡️ (ঘ)
- (D) (ঘ)➡️(গ)➡️(খ)➡️(ক)
উত্তর👈
(B) (গ)➡️(ঘ)➡️(খ)➡️(ক)
7. ‘পূজাপার্বন’ কোন সমাস?
(A) তৎপুরুষ
(C) বহুব্রীহি
(C) দ্বিগু
(D) দ্বন্দ্ব
উত্তর👈
(D) দ্বন্দ্ব
8. জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি এলাহাবাদে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করলেন কেন?
(A) তিনি প্রতিদিন গঙ্গাস্নান করতেন বলে।
(B) তিনি অত্যন্ত ধর্মভীরু ছিলেন বলে।
(C) গঙ্গাতীরবর্তী শহরে জীবনের শেষ দিনগুলি কাটানোর জন্য।
(D) ধার্মিক স্ত্রী এবং পুত্রবধূর কথা অমান্য করতে না পেরে।
উত্তর👈
(C) গঙ্গাতীরবর্তী শহরে জীবনের শেষ দিনগুলি কাটানোর জন্য।
9. অমিয়মাধবের ব্যবসা শুরু করার পিছনে প্রধান কারণ কী ছিল?
(A) পিতার মৃত্যুতে তিনি কপর্দকশূন্য হয়ে পড়েছিলেন।
(B) নববধূর প্ররোচনায় তিনি পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া স্থির করলেন।
(C) পিতার রেখে যাওয়া টাকা তাঁর ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজের বেতনের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
(D) ইঞ্জিনীয়ারীং করে যে স্বল্প বেতনের সরকারী চাকরি পাওয়া যাবে তাতে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না।
উত্তর👈
(D) ইঞ্জিনীয়ারীং করে যে স্বল্প বেতনের সরকারী চাকরি পাওয়া যাবে তাতে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না।
নির্দেশ:– নীচের কবিতাটি পড়ুন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলির (100 থেকে 105 নং প্রশ্ন) নিকটতম উত্তর নির্বাচন করুন।
টাকার অভাবে বিটিটোর বিহা দিতে পারিনি
উত্তরপোদেশের ছোড়া পাঁচশো টাকায় কিনে নিয়ে গেল
আজও কোনো খবর পাইনি জান্ডা যে কী করে
ঘরদোর ফাঁকা ফাঁকা মালক্ষ্মী আছে কেমন করে?
পূজোয় একটো কাপুড় দিতে পারিনি বলে কত দুঃখু
লালপেড়ে চেয়েছিল ক’টা টাকার জন্যি তোরে
ছেড়ে দিতে হ’ল বিদেশে বিভুঁইয়ে
বাতাস, তুই আমার পুন্নির গা ছুঁয়ে আসিস্
মা মরা মেয়্যা গুবোর ঝুড়ি নামিয়ে রেখে হেঁসেলে
আস্তিস্ঃ ‘বাবা কী রাধবো চাল বাড়ন্ত’
খুদটুদ যা রাধতিস একেবারে অম্ঋত্
বুড়া বয়েসে ভগোবান আমারে এত দুঃখু দিলি
তোর মা-রে কতদিন হারাইছি শুধু তোর জন্যি
দ্বিতীয় সংসারের কথা ভাবিনি, হৃদয়খানা রাত্তির
আকাশের মতো তোলপাড় করে ঘুম আসে না বিটি
একদম ঘুম আসে না কতদিন তোকে যে দেখিনি!
10. “বাতাস, তুই আমার পুন্নির গা ছুঁয়ে আসিস”- উক্তিটিতে কীসের ব্যকুলতা প্রকাশ পেয়েছে?
(A) কন্যার রান্না করা খুদ খাওয়ার ব্যাকুলতা।
(B) কন্যার স্পর্শ পাওয়ার ব্যাকুলতা।
(C) কন্যাকে লাল পেড়ে শাড়ি কিনে দেওয়ার ব্যাকুলতা।
(D) নিঃসঙ্গ জীবনে দ্বিতীয় পত্নী আনার ব্যাকুলতা।
উত্তর👈
(B) কন্যার স্পর্শ পাওয়ার ব্যাকুলতা।
11. “বাবা কী রাঁধব চাল বাড়ন্ত”- এখানে ‘বাড়ন্ত’ শব্দের অর্থ-
(A) নিঃশেষিত
(B) পর্যাপ্ত
(C) অপর্যাপ্ত
(D) যথেষ্ট
উত্তর👈
(A) নিঃশেষিত
12. পিতার অসহায়তার যে করুণ চিত্রটি এখানে ফুটে উঠেছে তার কারণ কী?
(A) পত্নীর অসুখে উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা না করতে পারার দুঃখ।
(B) পত্নী বিয়োগের পর দ্বিতীয় বিবাহ না করার পশ্চাত্তাপ।
(C) দীর্ঘদিন মেয়ের হাতের রান্না খেতে না পাওয়ার দুঃখ।
(D) অর্থাভাবের দরুণ বিয়ে দিতে না পেরে মেয়েকে দূরদেশে বিক্রি করার যন্ত্রণা।
উত্তর👈
(D) অর্থাভাবের দরুণ বিয়ে দিতে না পেরে মেয়েকে দূরদেশে বিক্রি করার যন্ত্রণা।
13. “আকাশের মতো তোলপাড় করে” উদ্ধৃতিটিতে কোন অলঙ্কার প্রয়োগ করা হয়েছে?
(A) যমক
(B) শ্লেষ
(C) উপমা
(D) অনুপ্রাস
উত্তর👈
(C) উপমা
14. “পুজোয় একটো কাপুড় দিতে পারিনি বলে কত দুঃখু” পংক্তিটির প্রচলিত কথ্য ভাষার সঠিক রূপটি হবে-
(A) পূজোয় একটা কাপুড় দিতে পারিনি বলে কত দুঃখ।
(B) পূজোয় একটা কাপড় দিতে পারিনি বলে কত দুঃখ।
(C) পুজোয় একটো কাপড় দিতে পারিনি বলে কত দুঃখ।
(D) পুজোয় একটা কাপড় দিতে পারিনি বলে কত দুঃখু।
উত্তর👈
(B) পূজোয় একটা কাপড় দিতে পারিনি বলে কত দুঃখ।
15. কবিতাটির মাধ্যমে কী প্রকাশ পেয়েছে?
(A) পত্নীর মৃত্যুতে পতির মানসিক যন্ত্রণা।
(B) কন্যার মৃত্যুতে পিতার মানসিক যন্ত্রণা।
(C) কন্যার দূরদেশে বিয়ে দেওয়ায় পিতার বিয়োগব্যথা।
(D) দৈন্য দায়ে কন্যা বিক্রি করতে বাধ্য পিতার হাহাকার।
উত্তর👈
(D) দৈন্য দায়ে কন্যা বিক্রি করতে বাধ্য পিতার হাহাকার।
অনুরূপ পাঠ
CTET Paper-II Bengali January 2024 MCQ প্রশ্ন ও উত্তর এর মতো ctet এর অনুরূপ পাঠগুলি জানতে নিম্নের Link এ Click করে জেনে নাও—