লৌকিক ও আধুনিক সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস থেকে LONG প্রশ্ন ও উত্তর

লৌকিক ও আধুনিক সংস্কৃত সাহিত্যের ইতিহাস থেকে LONG প্রশ্ন ও উত্তর দ্বাদশ শ্রেণীর SEMESTER – 4 পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট। এখান থেকে রচনাধর্মী প্রশ্ন আসবে। 4 নম্বরের ব্যাখ্যামূলক উত্তর সংস্কৃত, বাংলা, ইংরেজী অথবা হিন্দি ভাষায় করতে হবে। এখানে বাংলা ভাষায় উত্তর দেওয়া হয়েছে।

নিম্নলিখিত বিষয়গুলি থেকে প্রশ্নোত্তর অনুশীলন করতে হবে। 1) গদ্যকাব্য- দণ্ডী ও বাণভট্টের সহিত্যকৃতি(সংক্ষিপ্ত পরিচয়), 2) চম্পূকাব্য- নলচম্পূ ও ভারতচম্পূ (সংক্ষিপ্ত ধারণা), 3) আয়ুর্বেদ- চরক ও সুশ্রুত (গ্রন্থাকার ও গ্রন্থের সংক্ষিপ্ত পরিচয়), 4) আধুনিক বাঙালি সংস্কৃত সাধক ও সাহিত্যকৃতি (সংক্ষিপ্ত পরিচয়) সিদ্ধেশ্বর চট্টোপাধ্যায়, সিতানাথ আচার্য, তারাপদ ভট্টাচার্য, বীরেন্দ্রকুমার ভট্টারচার্য ও শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ।

LONG প্রশ্ন ও উত্তর

আর্যভট্ট সম্পর্কে একটি নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধ লেখো।

ভুমিকা :- ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং গণিত শাস্ত্রে আর্যভট্ট এক অবিস্মরণীয় নাম পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে আবর্তন করে এই সত্য তিনিই প্রথম আবিষ্কার করেন। তিনি খ্রীষ্টিয় পঞ্চম শতকে জন্মগ্রহণ করেন।

রচিত গ্রন্থসমূহ :- তাঁর রচিত দুটি গ্রন্থের কথা জানা যায়। প্রথমটি হল আর্যভট্টীয় এবং দ্বিতীয় গ্রন্থটি হল আর্য-সিদ্ধান্ত। দ্বিতীয় গ্রন্থটির নাম পাওয়া গেলও মূল গ্রন্থটি পাওয়া যায়নি।

আর্যভট্টীয়

আর্যভট্টীয় গ্রন্থটি 121 টি শ্লোক ও চারটি পাদ বা অধ্যায় নিয়ে গঠিত –
I) গীতিকাপাদ :- এই অধ্যায়ে 13 টি শ্লোকে কল্প, যুগ, বৃত্তীয় একক, দৈর্ঘ্যের এককের সংজ্ঞা, পৃথিবীর ঘূর্ণন ও অন্যান্য গ্রহের আবর্তন নিয়ে আলোচনা আছে।

II) গণিতপাদ :- এই অধ্যায়ে 33 টি শ্লোকে জ্যামিতিক চিত্র ও তার ধর্ম, সুদকষা, সরল সমীকরণ, সহ সমীকরণ, দ্বিঘাত সমীকরণ, পাটিগণিতের পদ্ধতিতে বর্গমূল, ঘনমূল ইত্যাদি আলোচিত হয়েছে।

III) কালকক্রিয়াপাদ :- এই অধ্যায়ে 25 টি শ্লোকে সময়ের বিভিন্ন একক, যেমন বছর, মাস, দিন প্রভৃতির আলোচনা রয়েছে।

IV) গোলপাদ :- এই অধ্যায় 50 টি শ্লোকে সূর্য, চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহের গতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। গোলীয় ত্রিকোণমিতির বিভিন্ন সূত্রও এই অধ্যায়ে পাওয়া যায়।

মূল্যায়ণ

আর্যভট্টের অবদান ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিয়েছে। গ্রন্থটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ভাষায় রচিত বলে টিকার সাহায্য ছাড়া বোঝা অসম্ভব। নীলকন্ঠ, সোমযাজী প্রমুখ টিকাকারেরা গ্রন্থটির ব্যাখ্যা করেছেন। পৃথিবীর আকর্ষনের ফলে বস্তু মাটিতে পড়ে একথা আর্যভট্ট প্রথম বলেন। “আকৃষ্টশক্তিঃ মহী তয়া যৎ আকৃষ্যতে তৎ পততীব ভাতি।”

অনুরূপ পাঠ

হাসবিদ্যকথা থেকে LONG প্রশ্ন ও উত্তর এর মতো SEMESTER – 4 এর অনুরূপ পাঠগুলি জানতে নিম্নের Link এ Click করে জেনে নাও

Leave a Comment